• ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০২ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Madhya Pradesh

দেশ

একের পর এক মামলার চাপে অভিষেক! এবার কি আরও বড় আইনি সংকট সামনে?

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে আইনি ও রাজনৈতিক চাপ আরও বেড়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলাকে কেন্দ্র করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক সভায় দেওয়া বক্তব্যে এক বিজেপি নেতাকে উদ্দেশ করে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। মামলার শুনানির জন্য একাধিকবার সমন পাঠানো হলেও তিনি আদালতে হাজির হননি বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর আদালতের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়ে তিনি অন্তর্বর্তী স্বস্তি পেয়েছিলেন। তবে সাম্প্রতিক আদালতি সিদ্ধান্তকে ঘিরে আবারও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।এদিকে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর দলের অন্দরে নেতৃত্ব ও সংগঠন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, দলীয় স্তরেও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মতভেদ দেখা দিয়েছে।শুধু তাই নয়, গত কয়েক মাসে একাধিক মামলার তদন্তে বিভিন্ন সংস্থার তলবের মুখোমুখি হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি মামলায় তিনি তদন্তে সহযোগিতা করার নির্দেশ পেয়েছেন এবং সেই অনুযায়ী তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে হাজিরাও দিয়েছেন। অন্য কয়েকটি মামলাতেও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম সংক্রান্ত অভিযোগের তদন্তে তাঁর নাম উঠে এসেছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে আদালত বা তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও সামনে আসেনি।নতুন আদালতি পরিস্থিতির ফলে আগামী দিনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি লড়াই কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সঙ্গে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

নর্মদায় ভয়াবহ বিপর্যয়! পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী ডুবে মৃত্যু, আতঙ্কে দেশ

আনন্দময় ভ্রমণ মুহূর্তে পরিণত হল ভয়াবহ দুর্ঘটনায়। মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) নর্মদা নদীর জলাধারে ডুবে গেল একটি পর্যটকভর্তি প্রমোদতরী। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ছয় জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নৌকাটিতে প্রায় তিরিশ জন পর্যটক ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে পনেরো জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি কয়েকজনের খোঁজে এখনও জোর তল্লাশি চলছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে (Madhya Pradesh)।প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, নৌকাটি যখন জলাধারের মাঝামাঝি পৌঁছেছিল, তখন হঠাৎ আবহাওয়া খারাপ হয়ে যায়। প্রবল ঝড়ো হাওয়া শুরু হয়। সেই সময় ভারসাম্য হারিয়ে নৌকাটি একপাশে কাত হয়ে জলের মধ্যে ডুবে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় উদ্ধারকারী দল। ডুবুরিরা জল থেকে একে একে যাত্রীদের উদ্ধার করতে শুরু করেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে (Madhya Pradesh)।উদ্ধারকাজ তদারকি করছেন জব্বলপুর জেলার প্রশাসনিক আধিকারিকরা। প্রথমে স্থানীয় দল উদ্ধারকাজ শুরু করলেও পরে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। রাত নেমে এলেও বাকি নিখোঁজদের খোঁজে অভিযান চালানো হচ্ছে। এই দুর্ঘটনায় গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এপ্রিল ৩০, ২০২৬
দেশ

“৪ রাত ঘুমোননি, ফোনে ফোনে হুমকি”—এসআইআরের অতিরিক্ত চাপে প্রাণ গেল দুই স্কুলশিক্ষকের

মধ্যপ্রদেশে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে পরপর দুই স্কুলশিক্ষকের মৃত্যুতে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। দুজনই বুথ লেভেল অফিসার (BLO) হিসাবে এসআইআর-এর দায়িত্বে ছিলেন। পরিবার ও সহকর্মীদের অভিযোগঅতিরিক্ত কাজের চাপ, অমানবিক ডেডলাইন এবং বারবার সাসপেন্ড করার ভয় দেখানোই মৃত্যুর মূল কারণ। বাংলায় যেভাবে এসআইআর-এর আতঙ্ক ছড়িয়েছে, ঠিক তেমনই পরিস্থিতি এবার মধ্যপ্রদেশেও তৈরি হয়েছে।রাইসেন জেলার বাসিন্দা রমাকান্ত পান্ডে মন্দিদীপ এলাকায় বিএলও হিসেবে কাজ করতেন। তাঁর স্ত্রী রেখা পান্ডে জানিয়েছেন, গত চার রাত রমাকান্ত একটুও ঘুমোননি। ফোনে ফোনে এসআইআরের কাজ নিয়ে তাগাদা, ডেডলাইন মেটানোর চাপ এবং সাসপেন্ড হওয়ার আতঙ্কে তিনি মানসিকভাবে সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছিলেন। বৃহস্পতিবার রাতে একটি অনলাইন মিটিং চলাকালীন আচমকাই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন তিনি। আর ওঠেননি।এর ঠিক এক দিন পর, দামোহ জেলার সীতারাম গোন্দ (৫০)-র মৃত্যু হয়। তিনি রঞ্জরা ও কুড়াকুড়ান গ্রামে এসআইআর-এর দায়িত্বে ছিলেন। সেদিন ভোটারের এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করতে গিয়েই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। অত্যন্ত আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে জব্বলপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও শুক্রবার রাতেই মৃত্যু হয়। তাঁর সহকর্মীরা জানান, প্রায় ১৩০০ জন ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করে আপলোড করতে হত তাঁকে, কিন্তু সেই লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় প্রচণ্ড মানসিক চাপের মধ্যে ছিলেন তিনি।এর আগেও মধ্যপ্রদেশের আরেক শিক্ষক ভুবন সিং চৌহানের মৃত্যু হয়েছিল। তিনিও BLO ছিলেন এবং কিছুদিন আগে দায়িত্বে ত্রুটির অভিযোগে সাসপেন্ড হয়েছিলেন। পরিবার অভিযোগ করে, এসআইআরের কাজের চাপই তাঁর মৃত্যু ডেকে এনেছে।এই ঘটনাগুলি সামনে আসতেই শিক্ষক মহলে ক্ষোভ বেড়েছে। বাংলায় ইতিমধ্যেই একাধিক BLO-র মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, BLO-দের উপর অতিরিক্ত চাপ বন্ধ করতে হবে। ঠিক একই অভিযোগ এবার মধ্যপ্রদেশেও দেখা যাচ্ছে।এসআইআর সংক্রান্ত কাজ দেশজুড়ে কী পরিস্থিতি তৈরি করছে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। ডেডলাইন, স্ট্রেস, ভয় এবং অনবরত চাপসব মিলিয়ে BLO-দের উপর যে মানসিক ও শারীরিক প্রভাব পড়ছে, তারই করুণ পরিণতি তুলে ধরল মধ্যপ্রদেশের দুটি মৃত্যু।

নভেম্বর ২৩, ২০২৫
দেশ

অবাক করা কাণ্ড, ট্রেনের নীচে চাকার মাঝে ২৫০ কিলোমিটার যাত্রা যুবকের!

টিকিট কাটার পয়সা নেই!তাই ট্রেনের নীচে চাকার মাঝে শুয়ে ২৫০ কিলোমিটার এল যুবক। মধ্যপ্রদেশের জবলপুর স্টেশনে দাঁড়িয়েছিল ট্রেন। রেলওয়ে কর্মীরা ইন্সপেকশন করছিলেন গাড়িটির। সেই সময়ই এক কামরার তলা থেকে কিছু আওয়াজ পান তাঁরা। কিছু কি আটকে গেছে যার জন্য বিপদ হতে পারে, এমন প্রশ্নই এসেছিল তাদের মনে। কিন্তু সেই সন্দেহ দূর করতে গিয়ে যা দেখলেন তাতে আরও অবাক সকলে। ট্রেনের কামরার নীচ থেকেই বেরিয়ে এলেন আস্ত এক মানুষ! ট্রেনের কামরার নীচে লুকিয়েই চার ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে যাত্রা করে এসেছিলেন ওই ব্যক্তি! দূরত্বের হিসেব করলে তা হয় প্রায় ২৫০ কিলোমিটার! পুনে-দানাপুর এক্সপ্রেসের এসি-৪ কামরার তলার চাকার ফাঁকই ছিল ওই যুবকের সিট! যুবকের পরিচয় জানা যায়নি। তবে সে জানিয়েছে পকেটে টাকা না থাকার জন্যই নাকি এমন অদ্ভুত ট্রেন যাত্রা তাঁর।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৪
নিবন্ধ

খাজুরাহো মন্দিরের ভাস্কর্য ও স্থাপত্য চান্দেলা রাজবংশের অনন্য কীর্তি

চান্দেলা রাজ বংশের অমর কীর্তি খাজুরাহের মন্দির সমূহ। ভাস্কর্য, স্থপতি শিল্প, ধর্ম, পুরাকথা আর ভারতীয় সংস্কৃতির এত সুন্দর মেল বন্ধন ভারতের আর কোথাও দেখতে পাওয়া যায় বলে মনে হয় না। পশ্চিম,পূর্ব, ও দক্ষিণ মন্দির সমুহ মিলে অপূর্ব এক গ্রন্থি বন্ধন করে খাজুরাহতে। প্রতিটি মন্দির ভারতীয় শাস্ত্রীয় স্থাপত্য শিল্পের রীতি মেনে, মণ্ডপ,অর্ধ মণ্ডপ,মহা মণ্ডপ, অন্তরলয়, গর্ভগৃহ এই ভাবে বিভক্ত। প্রধান মন্দির গুলি হলো, লক্ষণ মন্দির,বরাহ মন্দির, কান্ডারিয়া মহাদেব মন্দির,জগদম্বি মন্দির,চিত্রগুপ্ত মন্দির,বিশ্বনাথ মন্দির, জাভেরি মন্দির, বামন মন্দির, ব্রহ্মা মন্দির, আদিনাথ মন্দির ও পার্স্বনাথ মন্দির। এর মধ্যে শেষের দুটি জৈন মন্দির হলেও এর মধ্যেও খাজুরাহ শৈলী লক্ষ্য করা যায়। খাজুরাহ মন্দিরের বিশেষত্ব হলো অপূর্ব সুন্দর ভাস্কর্য। চান্দেলা রাজবংশের অনন্য কীর্তিসারা পৃথিবীর কাছে এর আকর্ষণ হলো কামোত্তেজক বা যৌন আবেদন মূলক মূর্তি। তবে বলে রাখা ভালো যে তার সংখ্যা এতটাই কম যে সেটি নিয়ে মাতামাতি করা শোভা পায়না। ঐতিহাসিক মতে ওই মূর্তি গুলি, তান্ত্রিক চর্চা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে। নবম - দশম শতাব্দী তে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের বিরোধিতা করে তান্ত্রিক ও ভক্তি ধারার ব্যাপক প্রচার ঘটে। সেই প্রভাব থেকেই এই ধরনের প্রতিবাদী ধারার প্রচলন বলে মনে হয়। পশ্চিম মন্দির সমূহের মধ্যে সব চেয়ে বড় হলো কান্ডারিয়া মহাদেব মন্দির। এই মন্দিরে শিব পূজিত হন। এটিতে ৮৪ টি শিখর লক্ষ্য করা যায়,যাতে ১০০০ কাছাকাছি অপ্সরা মূর্তি, দশ দিকের দশ দিকপালের মূর্তি ও বিভিন্ন জ্যামিতিক নকশা ও চন্দেলা বংশের প্রতীক সিংহ মূর্তি দেখা যায়। এটি চান্দেল রাজ বিদ্যাধর বানিয়েছিলেন। এর এক চত্বরে আছে জগদম্বী মায়ের মন্দির। যা নবরাত্রি চলাকালীন প্রাণ পায়,ভক্তদের আনাগোনায়। এই কদিন সেখানে অবাধ যাতায়াত করা যায়, দেবীর দর্শনের জন্য।প্রতিটি মন্দির উত্তর ভারতীয় ঘরানাতে বা নাগরা শৈলী তে বানানোএই মন্দিরটি আগে বিষ্ণুর মন্দির ছিল, পরে এটি দেবীকে উৎসর্গ করা হয়। প্রতিটি মন্দিরের গর্ভগৃহের দরজার শোভিত রয়েছেন দুই দেবী - গঙ্গা যার বাহন মকর আর যমুনা যার বাহন কচ্ছপ। এই দুই দেবী একাধারে পবিত্রতার প্রতীক তার সাথে হিমালয়ের প্রতীক। মন্দির গুলির ভার বহন করছে হাতির দল,যা শক্তি আর বুদ্ধির প্রতীক।এই মন্দিরগুলি সাধারণ ভাবে বেলেপাথর দিয়ে তৈরি,তবুও পাথরে রঙের বৈচিত্র্যতা লক্ষ্য করা যায়। যত গাঢ় রঙের পাথর ততোধিক শক্ত, যত হালকা তত নরম। ফলে প্রায় ১০০০ বছর ধরে ক্ষয় হয়েছে হালকা রঙের পাথরের মূর্তি। তার সাথে চুরিও হয়েছে আরো অনেক। তবুও ভাবতে অবাক লাগে, যে এত বছর আগে শুধু মাত্র ছেনি আর হাতুড়ি দিয়ে এই অপূর্ব সৃষ্টি কি ভাবে সম্ভব হলো!প্রতিটি মন্দির উত্তর ভারতীয় ঘরানাতে বা নাগরা শৈলী তে বানানো। এই মন্দির প্রতিষ্ঠার পৃষ্ঠপোষক হিসাবে নাম নেওয়া যেতে পারে, চান্দেল রাজ যোশবর্মন এবং বিদ্যাধর এর। তাদের সময়ে চন্দেল রাজবংশ প্রভাব ও প্রতিপত্তি তে অনেক বড় হয়ে ওঠে। তারই ফল স্বরূপ এই মন্দিরের স্থাপনা। যা আজও আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের কথা। কিছু মন্দিরে ইসলামি স্থাপত্যের ও ছোঁয়া দেখা যায়,যা আবারো আমাদের সম্প্রীতির কথা মনে পরিয়ে দেয়। এক কথায় ,যেমন এখনকার মানুষ জন বলে থাকেন,যে খাজুরাহ এর মন্দিরে শিল্পীরা গোটা ব্রহ্মাণ্ড কে ধরার চেষ্টা করেছেন, ঠিক তেমনই বলা যায় ভারতবর্ষ কেও ধরা আছে এই খাজুরাহর প্রতি টি মন্দিরের কোনায় কোনায়।শ্রেয়া ঘোষ (শিক্ষিকা)বর্ধমান

অক্টোবর ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আসল মন্ত্রীর ব্যাটে চাপ কাটিয়ে উঠল বাংলা

এভাবেও ফিরে আসা যায়! বাংলাকে না দেখলে সত্যিই বিশ্বাস করা কঠিন। স্কোর বোর্ডে কোনও রান যোগ হওয়ার আগেই প্রথম ওভারেই দুজন ব্যাটার সাজঘরে। চতুর্থ ওভারে আরও একজন। ১৬ ওভারের মধ্যে ৫৪ রানে ৫ উইকেট। সেখান থেকে দিনের শেষে ৫ উইকেটে ১৯৭। বাংলার এই প্রত্যাবর্তনের নায়ক মন্ত্রীমশাই মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। এই দুই ব্যাটারের সৌজন্যে চাপ কাটিয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস বাংলার।দিনের শুরুতে বাংলাকে অবশ্য চাপে ফেলেছিল মধ্যপ্রদেশের দুই ব্যাটার হিমাংশু মন্ত্রী ও পুনীত দুবে। দলকে বড়ে রানের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। ৩২৩ রানের মাথায় জুটি ভাঙেন শাহবাজ আমেদ। পুনীত দুবেকে তুলে নেন। ৩৭ বলে ৩৩ রান করে আউট হন পুনীত। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করছিলেন পুনীত। তিনি আউট হওয়ার ৪ ওভার পরেই হিমাংশু মন্ত্রীকে তুলে নেন মুকেশ কুমার। ৩৩৭ বলে ১৬৫ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন হিমাংশু। তিনি উইকেটের পেছনে অভিষেক পোড়েলের হাতে ক্যাচ দেন। শেষ পর্যন্ত ১০৫.৩ ওভারে ৩৪১ রানে গুটিয়ে যায় মধ্যপ্রদেশের ইনিংস। বাংলার হয়ে মুকেশ কুমার ৬৬ রানে ৪টি ও শাহবাজ আমেদ ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন। ২টি উইকেট নেন আকাশ দীপ। ১টি উইকেট নেন প্রদীপ্ত প্রামানিক।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই চূড়ান্ত বিপর্যয়ে পড়ে বাংলা। ব্যর্থ দুই ওপেনার অভিষেক রমন (০) এবং সুদীপ কুমার ঘড়ামি (০)। প্রথম ওভারেই কুমার কার্তিকেয়ার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন বাংলার এই দুই ব্যাটার। চতুর্থ ওভারে সারাংশ জৈনর বলে রজত পতিদারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অনুষ্টুপ মজুমদার। অধিনায়ক অভিমূন্য ঈশ্বরণ ২২ রান করে আউট হন পুনীত দুবের বলে। অভিষেক পোড়েলকেও (৯) পুনীত দুবে। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারায় বাংলা। এরপর রুখে দাঁড়ান মনোজ তেওয়ারি ও শাহবাজ আমেদ। অসমাপ্ত জুটিতে দুজনে তুলেছেন ১৪৩ রান। এই জুটিই স্বপ্ন দেখাচ্ছে বাংলাকে। দিনের শেষে মনোজ ৮৪ রানে ও শাহবাজ ৭২ রানে ক্রিজে রয়েছেন।

জুন ১৫, ২০২২
দেশ

Lightning Killed: তিন রাজ্যে বজ্রপাতে মৃত ৬৮, শোকপ্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

দেশে বজ্রপাতে একদিনেই মৃত্যু ৬৮ জনের!! মোট তিনটি রাজ্যে বাজ পড়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে এই মানুষগুলোর। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বজ্রপাতের মধ্যে সবথেকে বেশি বজ্রপাত হয়েছে উত্তরপ্রদেশেই। রবিবার বিকেল থেকেই ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কিন্তু অতিরিক্ত বাজ পড়ে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের একাধিক জায়গায়। কেবল উত্তরপ্রদেশেই বাজ পড়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪১-এ। মধ্য প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের, রাজস্থানে ২০ জনের। আহতের সংখ্য়াও প্রায় একশোর কাছাকাছি।জানা গিয়েছে, জয়পুরে একটি ওয়াচটাওয়ারে নিজস্বী তুলতে গিয়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইংল্যান্ডের স্বপ্ন চুরমার করে ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালিএই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী হিন্দিতে টুইট করে লিখেছেন, রাজস্থানের কিছু এলাকায় বজ্রাঘাতে বেশ কয়েক জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনা খুবই দুঃখজনক। মৃতদের পরিবারকে জানাই গভীর সমবেদনা। শোকপ্রকাশের পাশাপাশি মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত। রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচিন পাইলট ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়াও শোকপ্রকাশ করেছেন এই ঘটনায়।PM @narendramodi has announced an ex-gratia of Rs. 2 lakh each from PMNRF to the next of kin of those who lost their lives due to lightning in parts of Rajasthan. Rs. 50,000 would be provided to the injured. PMO India (@PMOIndia) July 12, 2021রাজস্থানে মৃতদের মধ্যে ১১ জন জয়পুর, চার জন কোটা, তিন জন ঢোলপুর, এক জন ঝালওয়ার ও এক জন বারানের বাসিন্দা। জয়পুরের আমের এলাকায় একটি ওয়াচটাওয়ারে ৪০ মিনিটের মধ্যে পর পর দুবার বাজ পড়ে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে জয়পুরের সওয়াই মান সিং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জুলাই ১২, ২০২১
দেশ

Corona-Delta Strain: ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে

দেশে আগেই থাবা বসিয়েছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। এ বার বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। মধ্যপ্রদেশে আরও সাতজনের দেহে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলল। মৃত্যুও হয়েছে দুইজনের।করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা কতটা, তা এখনও জানা না গেলেও ক্রমশ বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তবে গোটা দেশ নয়, আপাতত কয়েকটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে করোনার এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কেরলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজনের খোঁজ মিলেছে। চিন্তা বাড়িয়ে মধ্যপ্রদেশেই ক্রমশ বাড়ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের গতকালই দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে মধ্যপ্রদেশ থেকেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে সাতজন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, এদের মধ্যে দুজন আবার ভ্যাকসিন নেননি। তিনজন রোগী, যাঁরা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অধিকাংশই ভোপালের বাসিন্দা, এছাড়া উজ্জয়ীন ও অশোকনগর জেলার এক বাসিন্দাও রয়েছেন।যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবতী ছিলেন এবং অপরজন দুবছরের একটি শিশু। জানা গিয়েছে, গত মাসেই তাঁরা সকলে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হলে জুন মাসে তার রিপোর্ট আসে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেই অভিযোজিত হয়ে তৈরি ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইজ়ারল্যান্ড, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও চিনেও মিলেছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনও বিশদে তথ্য জানা যায়নি।

জুন ২৫, ২০২১
দেশ

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে পিছনে ফেলে এগিয়ে বিজেপি

মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা উপনির্বাচনে ২৮ টি কেন্দ্রের মধ্যে অধিকাংশ আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী ১ টি আসনে কংগ্রেসকে হারিয়ে ইতিমধ্যেই জিতে গিয়েছে বিজেপি। তারা এগিয়ে রয়েছে ১৯ টি আসনে। কংগ্রেস ৭ টি ও বহুজন সমাজ পার্টি একটি আসনে এগিয়ে রয়েছে। প্রসঙ্গত , গত মার্চ মাসে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তার ফলে রাজ্যে ২৭ টি বিধানসভা আসন খালি হয়ে যায়। পতন হয় কমলনাথ সরকারের। ফের ক্ষমতায় চলে আসে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হন শিবরাজ সিং চৌহান। আরও পড়ুন ঃ নোটবন্দির একাধিক সাফল্য তুলে ধরে টুইট সীতারামনের , সমালোচনা কংগ্রেসের ২৮টির মধ্যে ২৫ আসনেই কংগ্রেস থেকে বিজেপিতে যাওয়া বিধায়কদের প্রার্থী করেছিল গেরুয়া শিবির। এদের মধ্যে ১২ জন আবার রাজ্যের মন্ত্রী। এদিন তাঁর মুখ্যমন্ত্রীর আসন সুনিশ্চিত করলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। অন্যদিকে, নির্বাচনে ইভিএম জালিয়াতির অভিযোগ তুললেন রাজ্যের কংগ্রেস নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয় সিং। সংবাদসংস্থাকে তিনি বলেন, ইভিএম একশো শতাংশ নিরাপদ নয়। সীমিত পর্যায়ে ইভিএমে জালিয়াতি করা যেতে পারে।জয় কার্যত নিশ্চিত হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলছেন, কংগ্রেসের অপপ্রচারে কান না দিয়ে উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছেন মানুষ। আর কমলনাথ বলছেন, মানুষের রায় আমাদের মেনে নিতেই হবে।

নভেম্বর ১০, ২০২০

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

এনআইএ আদালতে বিস্ফোরক দাবি! শাকির আলির বাড়ি থেকে উদ্ধার গুলি, জামিন চাইলেন প্রাক্তন সাংসদের স্বামী

রামনবমী সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের স্বামী শাকির আলিকে বুধবার আদালতে তোলা হয়। শুনানির সময় তদন্তকারী সংস্থা দাবি করে, এই ঘটনায় শাকির আলি অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী। যদিও আদালতে দাঁড়িয়ে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি এবং যে কোনও শর্তে জামিনের আবেদন জানান।আদালতে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, রামনবমীর ঘটনাকে কেন্দ্র করে মোট ছয়টি মামলা দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ, শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া মানুষের উপর হামলা চালানো হয় এবং তদন্তে উঠে এসেছে, এই ঘটনায় শাকির আলি উস্কানির ভূমিকা পালন করেছিলেন। তদন্তকারীদের আরও দাবি, তাঁর বাড়ি থেকে ছত্রিশ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়েছে। সেই কারণেই তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়।তবে শুনানির সময় বিচারক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, দুই হাজার তেইশ সালে শুরু হওয়া মামলায় এতদিন পর কেন গ্রেপ্তার করা হল শাকির আলিকে। একই সঙ্গে প্রশ্ন ওঠে, এতদিন পরে হেফাজতে নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা কী।এর জবাবে তদন্তকারী সংস্থা জানায়, আগে এই গ্রেপ্তার সম্ভব হয়নি। তাদের দাবি, তদন্তে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় পদক্ষেপ করা যায়নি। বর্তমানে তদন্তের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।তদন্তকারী আধিকারিক আদালতে আরও জানান, বিভিন্ন রাস্তা এবং বাড়ির নজরদারি চিত্র খতিয়ে দেখা হয়েছে। অভিযোগ, শাকির আলি যে গাড়ি ব্যবহার করতেন, সেই গাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি, অথচ আশপাশের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। ঘটনার পর সেই গাড়িতেই তিনি এলাকা ছেড়ে চলে যান বলে তদন্তকারীদের দাবি। আরও অভিযোগ, পরে ওই গাড়ি বিক্রিও করে দেওয়া হয়।অন্যদিকে শাকির আলির আইনজীবী আদালতে জানান, তাঁর মক্কেল এই মামলায় এর আগেও দুবার তদন্তে হাজিরা দিয়েছেন। তিনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকায় শান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়। শাকির আলিও আদালতে বলেন, যাঁরা শোভাযাত্রা করেছিলেন তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, অথচ যাঁরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়েছিলেন, তাঁদেরই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, মামলার অন্য অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিনে মুক্ত।শাকির আলি আদালতে জানান, তাঁর নামে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল। পরে সেই অস্ত্র বিক্রি করে দিলেও গুলি বিক্রি করা যায় না। পাশাপাশি তিনি নিজের শারীরিক অবস্থার কথাও আদালতের নজরে আনেন। তাঁর দাবি, তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং ক্যানসারের আশঙ্কায় চিকিৎসাধীন। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়ার আবেদন জানান।এই মামলায় শাকির আলিকে দুই দিনের জন্য তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন করা হয়েছে। বিকল্প হিসেবে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকলেও জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি চেয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। আদালতের সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলের।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

চিকেনস নেকে বড়সড় নিরাপত্তা আতঙ্ক! পানের দোকানের আড়ালে কী চলছিল? গ্রেপ্তার যুবক

পূর্ব ভারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত এলাকা চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরের কাছাকাছি সিকিমে বড়সড় অভিযানে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে ধৃত ওই যুবকের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী কার্যকলাপ, উগ্রপন্থী প্রচার এবং নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠনের মতাদর্শ ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, গ্যাংটকের নাং এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া উনিশ বছরের মহম্মদ আরজু একটি পানের দোকানের আড়াল থেকে এই কার্যকলাপ চালাতেন বলে অভিযোগ। তবে এই অভিযোগ এখনও আদালতে প্রমাণিত হয়নি এবং তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ আরজু তাঁর বাবার সঙ্গে গ্যাংটকের লোয়ার এমজি মার্গ এলাকায় একটি পানের দোকান পরিচালনা করতেন। তদন্তকারীদের অভিযোগ, সেই ব্যবসার আড়ালেই তিনি সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে উগ্রবাদী প্রচার চালাতেন এবং নতুন সদস্য সংগ্রহের চেষ্টা করতেন। বিষয়টি সামনে আসার পর থেকেই গোয়েন্দা মহলে উদ্বেগ বেড়েছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তারা একটি সামাজিক মাধ্যমের গোষ্ঠীর সন্ধান পেয়েছে, যার মাধ্যমে দেশবিরোধী প্রচার এবং উগ্রপন্থী মতাদর্শ ছড়ানোর চেষ্টা চলছিল বলে অভিযোগ। সেই সূত্র ধরেই মহম্মদ আরজুর নাম সামনে আসে। এরপর কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এবং গ্যাংটক পুলিশের যৌথ অভিযানে তাঁকে আটক করা হয়।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃত যুবকের আচরণে অসঙ্গতি ধরা পড়ায় তাঁর মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, সেই পরীক্ষায় বিভিন্ন কথোপকথন, সন্দেহজনক তথ্য আদান-প্রদান এবং ভারত ও পাকিস্তানে অবস্থানকারী কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগের প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এই তথ্যের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না এবং কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে এর যোগসূত্র আছে কি না।সিকিম পুলিশের অপরাধ দমন শাখা এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগ জানিয়েছে, অনলাইনের মাধ্যমে উগ্রবাদী কার্যকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে ধৃত যুবকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন এবং তথ্য প্রযুক্তি আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তদন্ত এখনও চলছে।এই ঘটনাকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন সিকিমের বিধায়ক কলা রাই। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাই ভবিষ্যতে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের উপর কড়া নজরদারি চালানো প্রয়োজন।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা তৃণমূলে! আগাম জামিন খারিজের পর গ্রেপ্তার প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী

রাজ্য রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। বিধাননগরের প্রাক্তন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করল রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। পুরুলিয়ার সদর থানা এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন দেবরাজ। কিন্তু আদালত সেই আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপরই তদন্তকারীরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন।দেবরাজ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই উত্তর চব্বিশ পরগনার রাজনীতিতে পরিচিত মুখ। যুব তৃণমূলের কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু হলেও পরে দলীয় টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসে যোগ দেন। বিধাননগর পুরনিগমের সাত নম্বর ওয়ার্ড থেকে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়ে জয়ও পান। পরে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন। তাঁর স্ত্রী অদিতি মুন্সিও পরবর্তীতে সক্রিয় রাজনীতিতে যোগ দিয়ে রাজারহাট-গোপালপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হন।বিধানসভা নির্বাচনের আগে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সির বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে আসে। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে বিপুল মূল্যের সম্পত্তি আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের নামে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী হলফনামায় সম্পত্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করার অভিযোগও ওঠে। এছাড়াও তোলাবাজি, সিন্ডিকেট পরিচালনা এবং জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু হয়।গ্রেপ্তার এড়াতে দেবরাজ চক্রবর্তী ও অদিতি মুন্সি কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। আদালত চার মাসের শিশুসন্তানের কথা বিবেচনা করে অদিতি মুন্সিকে আগাম জামিন দিলেও তাঁর বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। পাশাপাশি পাসপোর্ট নিম্ন আদালতে জমা রাখার নির্দেশ দেওয়া হয় এবং বাগুইআটি থানা এলাকায় প্রবেশেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।অন্যদিকে দেবরাজ চক্রবর্তীর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে আদালত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার নির্দেশও দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী অভিযান চালিয়ে পুরুলিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি এনে দেবে।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

বড় ধাক্কা অনুব্রত মণ্ডলকে! আগাম জামিন খারিজ, এবার কি গ্রেপ্তার?

অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ে বড় ধাক্কা। ভোট-পরবর্তী হিংসার একটি মামলায় তাঁর আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল সিউড়ির জেলা আদালত। মঙ্গলবার মামলার শুনানির পর বিচারক আবেদন নাকচ করে দেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।আইনজীবীদের একাংশের মতে, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ায় এই মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের সামনে আপাতত আর কোনও আইনি বাধা নেই। ফলে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, এখন সেই দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনের।তবে এখানেই আইনি লড়াই শেষ হচ্ছে না। সূত্রের খবর, অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবীরা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। তার আগেই পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন। আদালতের রায় প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর। অভিযোগ, বোলপুরের কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের পাথরঘাটা গ্রামের একটি ইটভাটা থেকে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকার ইট লুঠ করা হয়। অভিযোগ, একশোটি ট্রাক্টরে করে সেই ইট নিয়ে যাওয়া হয়।ইটভাটার মালিক শুভেন্দু বিকাশ মণ্ডল অভিযোগ করেন, কঙ্কালীতলা পঞ্চায়েতের তৎকালীন উপপ্রধান মামন শেখ ও তাঁর অনুগামীরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তদন্তে অনুব্রত মণ্ডলের নামও উঠে আসে। অভিযোগে তাঁকে এই ঘটনার অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই সময় পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ করা হয়নি।রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলের পর পুরনো একাধিক মামলার তদন্তে গতি এসেছে। সেই আবহেই অনুব্রত মণ্ডলের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ায় মামলাটি নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং উচ্চ আদালতে অনুব্রত মণ্ডলের আইনি লড়াইয়ের দিকে।

জুলাই ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সিএবি-তে বড় বিতর্ক! প্রণব রায়ের বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, পাল্টা ‘ষড়যন্ত্র’ তত্ত্ব পঙ্কজ-পুত্রের

ভুয়ো ক্লাবের নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলে অ্যাপেক্স কাউন্সিলে আবেদন; সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি প্রাক্তন ক্রিকেটারের।বাংলা ক্রিকেটে ফের নতুন বিতর্ক। এবার অভিযোগের কেন্দ্রে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কিংবদন্তি পঙ্কজ রায়ের পুত্র প্রণব রায়। তাঁর বিরুদ্ধে ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল (সিএবি)-এর অ্যাপেক্স কাউন্সিলে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন শ্যামল দাস নামে এক ব্যক্তি। অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, একটি অস্তিত্বহীন বা ভুয়ো ক্লাবের নামে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আর্থিক অনিয়ম হয়েছে, যার অন্যতম সহায়ক ছিলেন প্রণব রায়।তবে অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি দাবি করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগই সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁর কথায়, পরিকল্পিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের প্রচার চালানো হচ্ছে।কী অভিযোগ উঠেছে?সিএবি সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৩ পাতার অভিযোগপত্রে গত বছরের সিএবি ওম্বুডসম্যানের একটি নির্দেশিকার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে মোহনলাল ক্লাব-র একটি কলকাতার বাগবাজারের ঠিকানার পাশাপাশি গৌরীবাড়ি এলাকার একই নামে একটি অস্তিত্বহীন সংস্থার কথাও উল্লেখ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ওই ক্লাবের নামে প্রায় ৪০ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ওই আর্থিক লেনদেনের একাধিক চেকে প্রণব রায়ের স্বাক্ষর রয়েছে এবং অভিযোগপত্রে সেই চেক নম্বরও উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু তাই নয়, অভিযোগকারীর দাবিপ্রণব রায়কে অবিলম্বে সিএবি-র সমস্ত কমিটি থেকে অপসারণ করতে হবে।তাঁর বিরুদ্ধে পূর্ণাঙ্গ আর্থিক অডিটের নির্দেশ দিতে হবে।আত্মসাৎ হওয়া ৪০ লক্ষ টাকা উদ্ধার করতে হবে।গোটা ঘটনায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে এফআইআর দায়ের করা হোক।অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন প্রণব রায়অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই পাল্টা বিবৃতি দিয়েছেন প্রণব রায়। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন,আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর। আমার ব্যক্তিগত সম্মান ও পরিবারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই এই অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।তিনি আরও দাবি করেন, তিনি মোহনলাল ক্লাবের কেবলমাত্র একজন সাধারণ সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সময়কালে ক্লাবের কোনও প্রশাসনিক পদে তিনি ছিলেন না। ফলে আর্থিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।প্রণব রায়ের বক্তব্য, অভিযোগের বেশ কিছু বিষয় ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন। সেই কারণে তিনি বিস্তারিত মন্তব্য করতে চাননি। তবে যাঁরা তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ এনেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার তিনি সংরক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজন হলে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের কাছেও বিষয়টি জানাবেন।নজরে সিএবিক্রীড়া মহলের ধারণা, নতুন এই অভিযোগ সামনে আসার পর ফের চাপে পড়তে পারে সিএবি প্রশাসন। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে অ্যাপেক্স কাউন্সিল কী পদক্ষেপ করে, আদৌ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় কি না, কিংবা অভিযোগকারীর দাবি অনুযায়ী অডিট বা এফআইআর-এর পথে হাঁটে কি না এখন সেদিকেই নজর ক্রিকেট মহলের।অন্যদিকে, প্রণব রায়ের স্পষ্ট দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এবং প্রয়োজনে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন। ফলে এই বিতর্ক আগামী দিনে আরও জটিল মোড় নিতে পারে বলেই মনে করছে ক্রিকেটমহল।

জুলাই ০১, ২০২৬
দেশ

মোদির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের ‘বিশেষ বৈঠক’! আম-সন্দেশ উপহার, ১১ হাজার শূন্যপদ থেকে পঞ্চায়েত উন্নয়ন—কী কী আলোচনা হল?

নিজস্ব প্রতিবেদন: দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম দিল্লি সফর। এই সফরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার। সৌজন্যের নিদর্শন হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলার আম ও সন্দেশ। তবে এই সাক্ষাৎ কেবল সৌজন্য বিনিময়ে সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজ্যের পঞ্চায়েত ব্যবস্থার উন্নয়ন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শূন্যপদ পূরণের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে বৈঠকে।সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের কাজকে আরও গতিশীল করতে দিলীপ ঘোষকে একাধিক দিকনির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে দিলীপ জানান, বর্তমানে তাঁর দপ্তরে প্রায় ১১ হাজার পদ শূন্য। এই বিপুল শূন্যপদের কারণে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তবায়নে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। শূন্যপদ দ্রুত পূরণ এবং প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির উপায় নিয়েও দুজনের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের গুজরাটে প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে দিলীপ ঘোষকে একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠনের পরামর্শ দেন। দেশের যেসব রাজ্যে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর সফলভাবে কাজ করছে, সেই রাজ্যগুলিতে গিয়ে কাজ পর্যবেক্ষণ, আধুনিক প্রশাসনিক পদ্ধতি শেখা এবং প্রশিক্ষণ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। শুধু তাই নয়, দিলীপ ঘোষকেও ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন রাজ্যে গিয়ে উন্নয়নমূলক প্রকল্পের বাস্তব চিত্র দেখে আসার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী।রাজনৈতিক মহলের মতে, এই উদ্যোগ কার্যকর হলে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত প্রশাসনে নতুন কর্মপদ্ধতি ও আধুনিক ব্যবস্থাপনার সংযোজন ঘটতে পারে।নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে বৈঠক, ৫১ হাজার কোটি টাকার প্রসঙ্গদিল্লি সফরে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গেও বৈঠক করেন দিলীপ ঘোষ। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ নিয়ে আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী জানান, ইতিমধ্যেই এই খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৫১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বরাদ্দের নিরিখে উত্তরপ্রদেশের পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।অর্থমন্ত্রী আশ্বাস দেন, উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রে অর্থের অভাব যাতে কোনও বাধা না হয়, সেদিকে কেন্দ্র নজর রাখবে। প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন।রেলমন্ত্রীর সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎদিল্লি সফরের শেষপর্বে কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন দিলীপ ঘোষ। যদিও ওই বৈঠকের বিস্তারিত আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি, তবুও রাজ্যের পরিকাঠামো ও উন্নয়ন সংক্রান্ত একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রের ইঙ্গিত।রাজনৈতিক মহলে জল্পনাএকদিনেই প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন খাতে কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয় আরও জোরদার করার লক্ষ্যেই এই বৈঠকগুলি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দিলীপ ঘোষের এই দিল্লি সফর আগামী দিনে রাজ্যের প্রশাসনিক কর্মকৌশল ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।

জুলাই ০১, ২০২৬
কলকাতা

মমতার জন্য নতুন ধাক্কা? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ডাকে ঋতব্রত, জোর জল্পনা রাজনীতিতে

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে ফের বড় মোড়। তৃণমূলের ভাঙনের আবহে এবার দিল্লি থেকে তলব করা হল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁকে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। এই বৈঠককে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক আলাদা ব্লক গঠন করেন। সেই ব্লকের নেতৃত্বে রয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভার স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক সমীকরণ বদলাতে শুরু করে। নতুন ব্লকের দাবি, তারাই প্রকৃত তৃণমূল এবং দলীয় প্রতীকের অধিকারও তাদের প্রাপ্য।এই দাবিকে সামনে রেখেই নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে নতুন ব্লক। প্রতীক সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় নথি ও তথ্য কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি এখন নির্বাচন কমিশনের বিবেচনাধীন।এরপর নতুন ব্লকের কর্মসমিতির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অরূপ রায়কে চেয়ারপার্সন করে নতুন কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, সন্দীপন সাহা এবং জাভেদ খানের মতো নেতাদেরও রাখা হয়েছে। বৈঠকের সিদ্ধান্ত লিখিতভাবে নির্বাচন কমিশনের কাছেও পাঠানো হয়।এরপরই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লিতে বৈঠকের জন্য ডাকা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর বারোটায় কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। ঋতব্রত জানিয়েছেন, তিনি আরও নয়জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সামনে উপস্থিত হবেন। এই বৈঠকের পর প্রতীক এবং দলীয় স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা।

জুলাই ০১, ২০২৬
রাজ্য

সেবাশ্রয় নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ! অভিষেকের বিরুদ্ধে বড় দুর্নীতির দাবি, চাঞ্চল্য রাজ্যজুড়ে

সাধারণ মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা পরিষেবার উদ্যোগ হিসেবে শুরু হয়েছিল সেবাশ্রয়। কিন্তু এবার সেই কর্মসূচি ঘিরেই উঠল গুরুতর অভিযোগ। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে লক্ষ্য করে সেবাশ্রয় শিবিরে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডা। পাশাপাশি, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসকও সংবাদমাধ্যমে একাধিক অভিযোগ করেছেন। যদিও এই সমস্ত অভিযোগের বিষয়ে এখনও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে প্রথম ডায়মন্ড হারবার লোকসভা এলাকায় পঁচাত্তর দিনের সেবাশ্রয় কর্মসূচি শুরু হয়। সেখানে আর্থিকভাবে দুর্বল মানুষের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। পরে নন্দীগ্রাম-সহ রাজ্যের আরও বিভিন্ন এলাকায় এই স্বাস্থ্য শিবিরের আয়োজন করা হয়। সাধারণ মানুষের মধ্যে এই উদ্যোগ ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।তবে কিছুদিন আগেই ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সরিষা এলাকার হিঞ্চাবেড়িয়ায় মাটির নিচে বিপুল পরিমাণ ওষুধ উদ্ধার হয়। ওই ওষুধের গায়ে সেবাশ্রয়ের চিহ্ন ছিল বলে দাবি করা হয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশ্ন উঠেছিল ওষুধ ব্যবহারের স্বচ্ছতা নিয়ে। এবার সেই বিতর্কের মধ্যেই সামনে এল আরও নতুন অভিযোগ।ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পাণ্ডার দাবি, সেবাশ্রয় শিবিরে আধুনিক চিকিৎসার ওষুধ ও প্রেসক্রিপশন দিচ্ছিলেন এমন চিকিৎসকেরা, যাঁদের মধ্যে জুনিয়র ডাক্তার, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক এবং আয়ুষ চিকিৎসকরাও ছিলেন। তাঁর আরও অভিযোগ, মাটির নিচে উদ্ধার হওয়া ওষুধের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যদি ওষুধের মান ঠিক থাকত, তাহলে সেগুলি মাটির নিচে পুঁতে রাখা হত না।অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক সংবাদমাধ্যমে দাবি করেছেন, শিবিরে চিকিৎসা বিনামূল্যে হলেও পরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হত। তাঁর অভিযোগ, সেই পরীক্ষার সূত্র ধরে কিছু রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হত এবং পরে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে চিকিৎসার খরচ দেখানো হতো। এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে কোনও তদন্তকারী সংস্থার চূড়ান্ত রিপোর্টও প্রকাশ্যে আসেনি।এই অভিযোগ সামনে আসার পর রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বেড়েছে। সূত্রের খবর, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডায়মন্ড হারবারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আরও একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বিজেপি। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয় কি না এবং প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ৩০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal